সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৫
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৫
প্রিয়তমা
আমার কথা ভেবে
কেবল আমার কথা ভেবে
থেকে যাও উষ্ণতায়।
থেকে যাও রোদ্দুরের ক্লান্তিহীন ছটায় ,
সূর্যটাকে মিনতি করেছি
আজকে হঠাৎ দুপুরবেলায় ,
ধার চেয়েছি একটু সময়
থাকুক বেশী আকাশ খানায় ,
আমার কথা ভেবে
কেবল আমার জন্যে
থেকে যাও ওই উষ্ণতায়
অসহ্য ঘামে
ভিজে উঠুক শাড়িটা তোমার
কেবল আমার কথা ভেবে আজ থেকে যাও
কিছুটা বেশি তাপে
ভিজুক শরীর
আর
ঘর্মাক্ত তোমার অস্থির পাগল সুবাসে
আমি আরেকবার
আর একবার সমর্পিত হই প্রিয়তমা।
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০১৫
আমার রাজপুত্র
ক্লান্তিময় সারাদিনের শেষে
একটুখানি জোসনা রাত
বৃষ্টিভেজা কখনো
কখনো বা কুয়াশায় ধোঁয়াটে রাস্তায়
যানজটের তীব্রতায়
সিগনালে
অথবা ঘুপচি চায়ের দোকানটায়
ধরে নাও এই যান্ত্রিক শহরের
একটা কোনো সবুজ স্নিগ্ধতায়
কিছুটা জলের স্পর্শে থাকা
অল্প কালচে আকাশের নীচটায় ,
দাঁড়িয়ে থাকো যখন অপেক্ষায়
শুধু একমাত্র আমার অপেক্ষায় ?
মনে হয়
খুব তীব্রভাবে মনে হয়
এইতো আমি রাজকন্যা।
তোমার বুকের ঐ জমিন ছাড়া
আমার আর কোনো রাজ্য চাইনা।
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৫
রুদ্মিলার চিঠি ১৫
ভুলে যাচ্ছি কি না জানিনা কেবল মনে হচ্ছে মুখটা যেন ধীরে ধীরে অতি সন্তর্পনে অস্পষ্ট হয়ে আসছে। এই কথাটা কি আজীবন সত্যি যে চোখের আড়াল মানেই অন্তরের আড়াল ?কিন্তু তুমিতো আমার মনের আড়াল হওনি এখনো ?আমি তোমার মুখটা আজকাল কেমন যেন দেখতে পাইনা। কিন্তু তোমার গন্ধটা বড্ড তীব্র হয়ে এসে ছুঁয়ে দেয় ঘ্রাণেন্দ্রীয়। আচ্ছা সবকিছু হারিয়ে যায় কিন্তু সুবাস কি বল আমৃত্যু বাতাসেই ভেসে বেড়ায় ?আর আকাঙ্খাটা ?ঐ যে তোমায় ছোঁবার ?একটুখানি স্পর্শ করবার ? ঐটুকুও কেমন যেন জীবন্ত। তবে কি তুমি বেঁচে থাকবে ওখানেই। আমার চাওয়ার মাঝে ?আমার তীব্র প্রতীক্ষার মাঝে ?আমার আকাঙ্খার মাঝে ?
আচ্ছা ,তবে প্রতীক্ষাটা কিসের ?তোমার স্মৃতিতে প্রতিনিয়ত যত্নের আবরণ দেয়া ?বাঁচিয়ে রাখা এভাবেই ?তুমিতো আসবেনা ফিরে ?আসবে কি ?
বড্ড এলোমেলো হচ্ছে লেখাটা। বৃষ্টি বড় কষ্ট দেয় আমায়। বেশ ক 'দিন হলো বৃষ্টির কোনো থামাথামি নেই। অবিরাম ঝরছেতো ঝরছেই। আমার সবকিছু এলোমেলো লাগছে। আমি চেষ্টা করছি এবার শ্রাবণে আর ভাববোনা ,ভাববোনা তোমার কথা। কিন্তু তোমার কি একটাই কাজ ছিলো অদ্ভুত সব স্মৃতিগুলো তৈরী করে আমার ভেতর একটা তুমিকে আশ্রয় দেয়া ?
মা ,
তোমার মনে পড়ে বৃষ্টির জল নিয়ে আমাদের ভুলতে না পারার মতন স্মৃতি কোনটা ?
তোমার ঐ সুন্দর সাদা দেশে কি বাদামী রঙের চা পাওয়া যায় ?ওখানেও কি বৃষ্টি হয় ?অঝোরে বৃষ্টি হলে তুমি কি এক কাপ চা নিয়ে কোথাও বস ?তোমার কি মনে পড়ে শ্রাবণে আমাদের একমাত্র খেলা ?বৃষ্টির জল জমিয়ে স্নান আর বৃষ্টি হলেই বানানো এক কাপ অদ্ভুত চা ?
তোমার মনে পড়ে মা ?
নিশ্চয়ই মনে পড়েনা।
পড়লে তুমি ঠিক আসতে।অন্তত এই অঝোর শ্রাবণে ?
দুষ্টুমী ভরা এক কাপ বৃষ্টি জলের চা খেতে তুমি নিশ্চয়ই আসতে মা ?
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫
মায়াবতী
কত
রকম মানুষ তার ছায়ায় এসে বসে। কত গল্প ,কত ঝগড়া ,কত মান -অভিমান ,হাসি,
প্রেম, ভালবাসা ,কত ইতিহাস। কিন্তু বড় অদ্ভুত ভাবে বট গাছটা প্রেমে পড়ে
গেলো সেই মানুষ'টার।মাঠের মাঝখানটায় ঝুম বৃষ্টিতে ভিজছিলো যখন, তখনই
এসেছিলো মানুষটা। না, না। আশ্রয় নিতে নয়। ছায়াবৃক্ষের বৃষ্টিস্নান দেখতে ।
ছায়ার খোঁজে নয়। বৃষ্টিভেজা সবুজ পাতা দেখতে।
কখনো কিছু জল নিয়ে আসে। ভিজিয়ে দেয় তার শুকনো শেকড়।কথা বলেনা। নীরব ভালবাসে শুধু। আর ভাবে এই ভালবাসায় কিছুই কি যায় আসে মায়াবতীর ?
বড্ড অভিমান হয় তার।
আচ্ছা ,রাগ ,দুঃখ অভিমান ছাড়া মানুষের জীবন হয়না তাইনা ?আমি তোমাকেই ভালবাসি জানো প্রিয় মানুষ ?তুমিই আমার মুক্তি।
মানুষটা বড় অস্থির হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করে : তবে তোমার কোলে এত মানুষ কে কেনো আশ্রয় দাও ?
নীরব গাছটা চোখের জলটুকু ও ফেলে দেখাতে পারেনা।বলতে পারেনা আমিও ক্লান্ত।আমারো ইচ্ছে করে বাঁচার মতন বাঁচতে ।বৃষ্টিভেজা ভোরে সাগরের জোয়ার দেখতে।
কখনো কিছু জল নিয়ে আসে। ভিজিয়ে দেয় তার শুকনো শেকড়।কথা বলেনা। নীরব ভালবাসে শুধু। আর ভাবে এই ভালবাসায় কিছুই কি যায় আসে মায়াবতীর ?
বড্ড অভিমান হয় তার।
আচ্ছা ,রাগ ,দুঃখ অভিমান ছাড়া মানুষের জীবন হয়না তাইনা ?আমি তোমাকেই ভালবাসি জানো প্রিয় মানুষ ?তুমিই আমার মুক্তি।
মানুষটা বড় অস্থির হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করে : তবে তোমার কোলে এত মানুষ কে কেনো আশ্রয় দাও ?
নীরব গাছটা চোখের জলটুকু ও ফেলে দেখাতে পারেনা।বলতে পারেনা আমিও ক্লান্ত।আমারো ইচ্ছে করে বাঁচার মতন বাঁচতে ।বৃষ্টিভেজা ভোরে সাগরের জোয়ার দেখতে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



